বিশেষ প্রতিনিধি, Hafizur Rahman।।
ঢাকা টেস্টের শুরুটা স্বাগতিক বাংলাদেশের জন্য ছিলো দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি। তবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হক–এর দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (৮ মে) মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই পাকিস্তানি পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের সপ্তম ওভারে মাহমুদুল হাসান জয় আউট হন উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ান–কে ক্যাচ দিয়ে। কিছুক্ষণ পরই ফিরে যান সাদমান ইসলাম, যিনি আউট হন হাসান আলী–এর বলে।
দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর চাপ সামাল দেন শান্ত ও মুমিনুল। তৃতীয় উইকেটে গড়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ জুটি। শুরুতে ধীরগতির ব্যাটিং করলেও পরে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন শান্ত। অন্যদিকে ধৈর্য ধরে ইনিংস সাজান মুমিনুল।
দুজনের জুটি দ্রুতই ৫০ রানে পৌঁছায়, পরে ধাপে ধাপে এগিয়ে যায় বড় স্কোরের দিকে। ৩৫তম ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদি–এর বলে চার মেরে জুটিকে শতরানে নিয়ে যান শান্ত।
পরে ১৩৩ রানের বড় জুটি গড়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে নতুন রেকর্ডও গড়েন তারা। ১০২ বলে ফিফটি করেন মুমিনুল এবং ৭১ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন শান্ত।
এরপর আরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন শান্ত, মাত্র ১২৯ বলে। তবে সেঞ্চুরির পরের ওভারেই মোহাম্মদ আব্বাস–এর বলে আউট হয়ে ফিরে যান তিনি। তার ইনিংস ছিল ১০১ রানের, যেখানে ছিল ১২টি চার ও ২টি ছক্কা।
অধিনায়ক ফিরে গেলেও মুমিনুল হক অপরাজিত থেকে দলের হাল ধরে রাখেন। পরে ক্রিজে যোগ দেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। চা বিরতির আগে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ২০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে ২০১ রানে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
হাফিজ/ আয়না নিউজ