বিশেষ প্রতিনিধি, Md Al Rajib।।
শেষ মুহূর্তের ঈদযাত্রায় বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের সৃষ্টি হয়েছে ৬০ কিলোমিটার তীব্র যানজট। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মাঝেমধ্যে মুষলধারে বৃষ্টি, ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে গেছে।
মঙ্গলবার গাজীপুরের অধিকাংশ শিল্পকারখানায় ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ভোগড়া থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত তীব্র যানজট দেখা দেয়। গাজীপুরে কর্মরত প্রায় ৩০ লাখ মানুষ ইতোমধ্যে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে জানান হাইওয়ে পুলিশ। এছাড়া মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে জামুর্কি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার অংশে যানবাহন চলছে ধীরগতিতে।
পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝড়বৃষ্টির কারণে গভীর রাত থেকেই গাড়ির দীর্ঘ সারি ছিল। সেই দীর্ঘ সারির মধ্যেই যমুনা সেতুর ওপর একাধিক গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। ফলে মহাসড়কে ধীরগতিতে চলে গাড়ি। রাতভর এর প্রভাব পড়তে পারে যমুনা সেতু এলাকায়। যেখানে সাধারণত দুই ঘণ্টার পথ, সেখানে এখন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘যানবাহনের ব্যাপক চাপ রয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তে ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য দুটি বুথ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের ট্রাফিক পরির্দশক আনিসুর রহমান বলেন, ‘অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, সেতুতে দুর্ঘটনা, এছাড়াও বৃষ্টির কারণে যানবাহনের চলাচল ধীরগতি হয়েছিল। সকাল ৮টার পর থেকে ধীরগতিতে যানবাহন চলছে। যানজট নিরসনে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মহাসড়ককে চারটি সেক্টরে ভাগ করে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। ঈদে ঘরমুখী মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে তার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল হাইওয়ে থানার ওসি জানিয়েছেন, অতিরিক্ত চাপের কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলছে এবং যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে।
আল রাজীব/ আয়না নিউজ