বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
দেশের রাজনীতিতে আলোচনা তৈরি করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় জোটের প্রার্থী তালিকা। জানা গেছে, জোটটির ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় একজনও নারী প্রার্থী নেই। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে নারী নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিয়ে জোটটির অবস্থান নিয়ে।
এরই মধ্যে ৩০০ আসনের সবকটিতেই দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে বেশ কয়েকটি দল। আংশিক প্রার্থী ঘোষণা করেছে আরও কয়েকটি দল। এ ছাড়া নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে আগ্রহীরাও নিজ নিজ সংসদীয় এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতন্ত্র ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির মানদণ্ডে এই মনোনয়ন তালিকাগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের প্রাথমিক ধাপে দলগুলোর মধ্যে নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বের তুলনামূলক চিত্রে যে বৈসাদৃশ্য দেখা যাচ্ছে, তা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং অন্তর্ভুক্তির অঙ্গীকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।
জোটের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, তারা যোগ্যতা ও মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছেন। তবে নারী প্রতিনিধিত্ব না থাকা যে সমালোচনার জন্ম দেবে, তা স্বীকার করেছে জোটের ভেতরের কিছু সূত্রও।
প্রসঙ্গত, জাতীয় রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেখানে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে, সেখানে পুরো জোটে একজন নারী প্রার্থীও না থাকা একে পশ্চাৎমুখী সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এ ঘটনায় বিভিন্ন নারী সংগঠনও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, রাজনীতির মূলধারায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বড় রাজনৈতিক জোটগুলোর এগিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় এই জোট পরবর্তী ঘোষণায় নারী প্রতিনিধিত্ব বিষয়ে কোনো অবস্থান জানাবে কি না, এখন নজর সেদিকেই।