বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোটের তফসিল ঘোষণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এই রিট দায়ের করা হয়।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ রিট আবেদনটি করেন। রিটে একই দিনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট আয়োজনের সাংবিধানিক ও আইনগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ থেকেই আপিল দাখিল করা যাচ্ছে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এসব আপিল আবেদনের ওপর পর্যায়ক্রমে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান পাঁচ দিনের মধ্যে ইসিতে আপিল করতে পারবেন। আপিল আবেদনের ক্ষেত্রে এক সেট মূল কাগজপত্র ও ছয় সেট ফটোকপি মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দিতে হবে।
আপিল গ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে নির্বাচন কমিশনে পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। রংপুর অঞ্চলের জন্য বুথ-১ (আসন ১–৩৩), রাজশাহী বুথ-২ (৩৪–৭২), খুলনা বুথ-৩ (৭৩–১০৮), বরিশাল বুথ-৪ (১০৯–১২৯), ময়মনসিংহ বুথ-৫ (১৩০–১৬৭), ঢাকা বুথ-৬ (১৬৮–২০৮), ফরিদপুর বুথ-৭ (২০৯–২২৩), সিলেট বুথ-৮ (২২৪–২৪২), কুমিল্লা বুথ-৯ (২৪৩–২৭৭) এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য বুথ-১০ (২৭৮–৩০০) নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী শুনানি চলবে। ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে এই প্রক্রিয়া চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে আপিলের সংখ্যা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসি।
শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বা তাঁর প্রতিনিধি এবং আপিলকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে হবে। শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরে প্রদর্শন করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের ই-মেইলে পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। এছাড়া নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবন থেকে রায়ের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে।