বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
বঙ্গোপসাগরের তলদেশে প্লাস্টিকের উপস্থিতি ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্র সম্পদ এখনও আমরা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি। এমনটাই বললেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করা হয়। গবেষণা পরিচালনা করেছে জাহাজ ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’, যেখানে আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী অংশ নিয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী জানালেন, ৬৫ প্রজাতির নতুন জলজ প্রাণীর আবিষ্কারের পাশাপাশি পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য বেড়ে গেছে, যা ওভারফিশিংয়ের কারণে। এছাড়া দুই হাজার মিটার গভীরে প্লাস্টিক পাওয়া গেছে, যা উদ্বেগজনক।
গবেষণায় দেখা গেছে, বড় মাছের সংখ্যা কমছে এবং স্বল্প গভীরতাতেও মাছের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। ২৭০–২৮০টি বড় ট্রলার মাছ আহরণ করলেও ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ ব্যবহার করে টার্গেটেড ফিশিং করছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, “এই পদ্ধতি অব্যাহত থাকলে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে যেতে পারে।
তবে আশার কথা হলো, গবেষণায় টুনা মাছের বৃদ্ধি ও সম্ভাবনার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া সুন্দরবনের তলে একটি ‘ফিশিং নার্সারি’-র সন্ধান পাওয়া গেছে, যা সংরক্ষণে সরকার নির্দেশ দিয়েছে।