বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
সিলেটের বিপক্ষে মাঠে নামে রংপুর রাইডার্স টানা দুই হারের হতাশা কাটিয়ে জয়ের পথে ফেরার আশা নিয়ে তবে নির্ধারিত ২০ ওভারও খেলতে পারেনি দলটি ব্যাটিং ব্যর্থতায়। টস হেরে ব্যাট করতে নামা রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯.১ ওভারে মাত্র ১১৪ রান। ফলে সিলেটের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১৫ রান।
ইনিংসের শুরুতে প্রথম ওভারেই মঈন আলীকে তাওহিদ হৃদয় মেডেন দিলে এবং দ্বিতীয় ওভারে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই নাসুম আহমদের বলে কাইল মায়ার্স বাউন্ডারি মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে। ফলে উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে রংপুর রাইডার্স।
তৃতীয় ওভারে দলীয় ৬ রানে বিপর্যয় আরো বাড়ে তৌহিদ আফ্রিদির উইকেট হারালে। দলীয় ৬ রানে তৃতীয় ওভারে তৌহিদ আফ্রিদির উইকেট হারালে বিপর্যয় আরো বাড়ে। শহিদুল ইসলামের বলে তৌহিদ এলবিডব্লিউ হলে , রিভিউ নিয়ে সফল হয় সিলেট স্টাইকার্স।
দ্রুত রান তুলতে চাওয়া লিটন দাস পর পর দুইবার চার মেরে ১২ বলে ২২ রান সংগ্রহ করে বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ওভারের ৩ বলে। পাওয়ার প্লে শেষে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৩৫ রান। পাকিস্তানি দুই ব্যাটার ইফতিখার আহমেদ ও খুশদিল শাহ দলকে সামাল দিতে ৪০ রানের জুটি করলে শহিদুল ইসলামের ক্যাচ ও মঈন আলীর বল তা ভেঙ্গে দেয়।
৯৬ রানে ৯ উইকেট হারায় রংপুর। অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ হৃদয় সেখান থেকে দলকে শতরানের ঘরে পৌঁছে দেন। তবে ভালো ছন্দে থাকা খুশদিল শাহ ২৪ বলে ৩০ রান করে রান আউট হলে বড় সংগ্রহের আশা শেষ হয়ে যায়। মাহমুদউল্লাহ একা লড়াই চালালেও ১৯.১ ওভারে ইরশাদ খানের বলে তওফিক খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ২৯ রান করা মাহমুদউল্লাহর বিদায়ের মধ্য দিয়ে ১১৪ রানেই থামে রংপুর রাইডার্সের ইনিংস।