বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বেলা আড়াইটার পর শোকসভা শুরু হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনের পর বিকাল ৩টা ৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শোকসভার সূচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষ হয় বিকাল ৫টা ৩৯ মিনিটে। শোকগাথা উপস্থাপন করেন দৈনিক ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক সালেহ উদ্দিন।
শোকসভায় তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
নাগরিক শোকসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও শোকসভায় যোগ দেন।
দুপুরের পর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসংলগ্ন জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আমন্ত্রিত অতিথিদের আগমন শুরু হয়। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের জন্য আমন্ত্রণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়।
শোকসভায় কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা মঞ্চে বক্তব্য দেননি। তবে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী নেতারা শোকবক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন। শোকসভাস্থলে উপস্থিতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়। অনুষ্ঠান শৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। পরদিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে জিয়া উদ্যানে দাফন করা হয়।