বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
ইরানের দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ইরানি সমাজে জনমনের আবহ এখন নানা অনুভূতির জটিল মিশ্রণ। ইরানের সামাজিক বুননে দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট এক মেরুকরণ। সমাজের একটি অংশ বিদ্যমান রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানে তেহরানসহ মাশহাদ ও কোমে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। অন্যদিকে গত বছরের ডিসেম্বরে অর্থনৈতিক দুর্ভোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভের কারনে সমাজের আরেকটি অংশে রয়েছে স্পষ্ট অসন্তোষ।
সব মিলিয়ে সমাজে এখন তিনটি ভযে। একদল সরাসরি সরকারপন্থী। আরেকদল বর্তমান রেজিমের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে সন্তুষ্ট নয়। মাঝখানে রয়েছে একটি গ্রে এরিয়া বা ধূসর অঞ্চলযারা না পুরোপুরি সমর্থক, না সরাসরি বিরোধী। তবে এই বিভাজন সত্ত্বেও সবার মধ্যে একধরনের হতাশা ও উৎকণ্ঠা কাজ করছে খামেনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে। ঘটনাটা এমন এক সময়ে ঘটেছে, যখন দেশটি হামলার মুখে ছিল। গত বছরের জুনে ইরান যুদ্ধের অভিজ্ঞতা অর্জন করলেও বর্তমান পরিস্থিতির পরিধি ও মাত্রা তার সঙ্গে তুলনীয় নয়। এবার ঝুঁকি আরও বড়।