| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জুলাই সনদ জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর চুক্তি: আলী রীয়াজ

  • আপডেট টাইম: 28-01-2026 ইং
  • 117994 বার পঠিত
জুলাই সনদ জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর চুক্তি: আলী রীয়াজ

জুলাই জাতীয় সনদকে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর একটি চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, এই সনদ কোনো চাপিয়ে দেওয়া দলিল নয়; বরং দীর্ঘ নয় মাস ধরে ৩০টি রাজনৈতিক দলের নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার মাধ্যমে এটি প্রণীত হয়েছে, যার বাস্তবায়নের দায় রাজনৈতিক দলগুলোর ওপরই বর্তায়।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও সহিংসতা প্রতিরোধ : মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আলোচনার আয়োজন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই)।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণঅভ্যুত্থান রায় দিয়েছে—বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই অভ্যুত্থান ফ্যাসিবাদ ও জমিদারিতন্ত্রের অবসান ঘটিয়েছে। ভবিষ্যতে যেন কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারে, সে জন্য ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি। ন্যায়বিচার, সংস্কার ও নতুন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। গণভোট, নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কারের ক্ষমতা জনগণের হাতেই রয়েছে।

আলী রীয়াজ বলেন, দেশের ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি এনেছে। এখন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে রয়েছে। এই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, যাতে প্রতিটি নাগরিক নিজেকে রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে ভাবতে পারে। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি স্বাধীন ও মুক্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ, সাম্যভিত্তিক, মানবিক ও মর্যাদাভিত্তিক সুবিচারের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ূন কবির। আলোচনায় বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের ডিসটিংগুইশড ফেলো ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান। সার্ভে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন চৌধুরী সামিউল হক। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা, সংস্থা ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪