| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের গর্ব ও অস্তিত্বের প্রতীক: মির্জা ফখরুল

  • আপডেট টাইম: 04-04-2026 ইং
  • 26674 বার পঠিত
মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের গর্ব ও অস্তিত্বের প্রতীক: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের গর্ব ও অস্তিত্বের প্রতীক। কিন্তু একটি গোষ্ঠী এই ইতিহাসকে খাটো করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা প্রতিহত করতে হবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি সংস্কার চায় না এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এর মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। জিয়াউর রহমান বহুদলীয় রাজনীতি প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে সংস্কারের সূচনা করেন এবং খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর হামলার সময় যখন বাঙালি জাতি দিশেহারা, তখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করে।

তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া চা-বাগানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী-এর নেতৃত্বে এবং জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সেক্টর কমান্ডাররা একত্রিত হয়ে যুদ্ধের পরিকল্পনা করেন। ১৯৭১ সালের এই দিনে অনুষ্ঠিত ঐ বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ কোনো একক ব্যক্তির নির্দেশে পরিচালিত হয়নি। সে সময় শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন এবং খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধের সময় নানা ঝুঁকির সম্মুখীন হন।

সাম্প্রতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দেশের আরেকটি গৌরবময় অধ্যায়। বিএনপি জুলাই আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

দলীয় শৃঙ্খলা বিষয়ে তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো”—এ কারণে দলে কোনো অনিয়মকারীর স্থান হবে না।

এ সময় তিনি অবহেলিত চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সংসদ সদস্য জি কে গউছ, আমিনুল ইসলাম, সৈয়দ মো. ফয়সল ও সাখাওয়াত হাসান জীবনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪