মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি স্থাপনাগুলোতে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরান-এর বিরুদ্ধে। এ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে—ড্রোন হামলায় অন্তত দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফাতিমা আব্বাস জোহার হায়াত এই হামলাকে “অপরাধমূলক আগ্রাসন” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, হামলার ফলে দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট সম্পূর্ণভাবে অচল হয়ে পড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এটি সাম্প্রতিক সময়ে কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো একাধিক হামলার সর্বশেষ ঘটনা। এর আগে ড্রোন হামলায় শুওয়াইক তেল খাত কমপ্লেক্সে আগুন লাগে এবং একটি সরকারি দপ্তর কমপ্লেক্সেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়।
অন্যদিকে চলমান সংঘাত নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে পেন্টাগন। সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ জন সেনা নিহত হয়েছে এবং অন্তত ৩৬৫ জন আহত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে ২৪৭ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, ৬৩ জন নৌবাহিনীর নাবিক, ১৯ জন মেরিন কর্পস সদস্য এবং ৩৬ জন বিমানবাহিনীর সদস্য রয়েছেন। তবে একই দিনে দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় হতাহতরা এই পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।