সরকার বৈশ্বিক অস্থিরতা সামাল দিতে আসন্ন বাজেটে জ্বালানি, খাদ্যসহ কয়েকটি খাতে ভর্তুকি বাড়াচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তামূলক খাতে থাকবে বাড়তি নজরের পাশাপাশি বাড়ছে প্রণোদনার আকারও। অর্থ বিভাগ নগদ ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থ-বছরের সমান বরাদ্দ রাখছে। আগামী বাজেটে জ্বালানি অর্থাৎ বিদ্যুৎ ও গ্যাসে ভর্তুকি কিছুটা বাড়িয়ে বিশেষ করে গ্যাস ও বিদ্যুতে রাখা হচ্ছে বড় অংকের বরাদ্দ। সংশোধিত বাজেটের চেয়ে বিদ্যুতের ভর্তুকি বাড়ার পাশাপাশি গ্যাসের ভর্তুকিতেও দেয়া হবে গুরুত্ব।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ওএমএস, টিসিবি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী সারাদেশে চলমান রাখতে বাজেটে খাদ্য ভর্তুকি বাবদ মোট বরাদ্দ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। তবে, সার আমদানি ও উৎপাদনে ভর্তুকির পরিমাণ বড়। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড কর্মসূচী বাস্তবায়নে লাগবে অতিরিক্ত বরাদ্দ। 'প্রায় দেড়শোটির মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সত্যিকার অর্থেই দুঃসাধ্য কাজ ' উল্লেখ করে অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এই সমস্যার কিছুটা হলেও সম্পূরক সমাধানে ভূমিকা রাখবে।
আরও পড়ুন-
ঈদুল আযহায় বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
চলতি অর্থবছরের চেয়ে আগামী বাজেটে সরকারের প্রণোদনা খাতে ব্যয় বাড়বে। বিশেষ করে কৃষি খাত, রফতানি-নগদ, পাটজাত দ্রব্যাদি এবং রেমিটেন্স খাতে ব্যয় হবে প্রণোদনার অর্থ। সংশোধিত বাজেটের তুলনায় রেমিটেন্স খাতে প্রণোদনা বৃদ্ধি এই খাতে বাড়তে পারে ব্যয়। ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে চলতি অর্থবছরের মতোই।
সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ভর্তুকি, প্রণোদনা এবং নগদ ঋণ খাতে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে জিডিপি'র ১ দশমিক ৭ শতাংশ। টাকার অংকে যা ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি।
এফ এ/আয়না