অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উন্নয়ন বরাদ্দের নামে দেওয়া অর্থ ব্যবহার করে জামায়াত ও এনসিপি নির্বাচনে সুবিধা নিয়েছে এবং এভাবেই তারা ৭৭টি আসন পেয়েছে, দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। এ ছাড়াও বিএনপি নেতা রাশেদ খান অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে সোমবার (১ জুন) তিনি এ দাবি করেন।
বিএনপির এইনেতা এ সময় আর বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জেলা পরিষদের তহবিল থেকে দেবীদ্বার উপজেলার উন্নয়নের জন্য কেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ১০ কোটি টাকা পেয়েছিলেন। তিনি জানতে চান, সে সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ সরকারের কোনো পদে ছিলেন কি না।
তিনি বলেন, সম্প্রতি জামায়াত নেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের একটি বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নিজ আসনের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে গেছেন।
ঠিক এভাবে জামায়াত-এনসিপির নেতাদেরও কোটি কোটি টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।তার দাবি, অতীতে সর্বোচ্চ ১৮টি আসন পাওয়া একটি দল এবার ৭৭টি আসন পেয়েছে মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ ব্যবহার করে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্য উপজেলার উন্নয়ন বঞ্চিত করে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে বড় ধরনের বৈষম্য, দুর্নীতি ও অনিয়ম করা হয়েছে। ‘তাহের, হাসনাত ও আসিফ সাহেবরা শুধু নিজেদের এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে গিয়ে বৈষম্য ও দুর্নীতির জন্ম দিয়েছেন। এটি ক্ষমার অযোগ্য।
’অন্তর্বর্তী সরকারের বিচার দাবি করে বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে এ ধরনের উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার অন্যায় করেছে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
আল রাজীব/ আয়না নিউজ