| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আদালতের বাইরে আসামির বক্তব্য প্রচারে কড়াকড়ি নির্দেশ

  • আপডেট টাইম: 02-06-2026 ইং
  • 3306 বার পঠিত
আদালতের বাইরে আসামির বক্তব্য প্রচারে কড়াকড়ি নির্দেশ

আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির বক্তব্য দেওয়া এবং তা প্রচার না করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেন।

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে বিশেষ পিপি আজিজুর রহমান দুলু আদালতে এ আবেদন করেন। তিনি বলেন, পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় আসামির বক্তব্য দেওয়ার আইনি সুযোগ নেই এবং এ ধরনের বক্তব্য প্রচার বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও দাবি করেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে থাকা বা দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার করা আইনত নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে। বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষা, জনমত প্রভাবমুক্ত রাখা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের প্রচার বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

আদালত শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী তাদের জেরা করেন। এরপর ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে ভিকটিমের বড় বোনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

এদিন মামলার গুরুত্বপূর্ণ আরও কয়েকজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রতিবেশীরা রয়েছেন।

সকালে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয় এবং হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে তাদের এজলাসে তোলা হয়।

এর আগে সোমবার আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন এবং সাক্ষীদের হাজির হতে সমন জারি করেন।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য পাঠানো হয় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জন সাক্ষী রয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ১৯ মে সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। পরদিন ২০ মে ভুক্তভোগীর বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

হাফিজ/ আয়না নিউজ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪