রাজধানীর পল্লবীতে রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা দায় স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে মামলার যুক্তিতর্কের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (৩ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত যুক্তিতর্কের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার দিন নির্ধারণ করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শুনানির দিন সকালে সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের মহানগর হাজতখানায় রাখা হয় এবং নির্ধারিত সময়ে আদালতে তোলা হয়।
আদালতে বিচারক সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান এবং সোহেল রানার কাছে জানতে চান তার কিছু বলার আছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, “আমি নির্দোষ স্যার। আমার সঙ্গে যে ছিল ডলার, তাকে ধরেন। আমি দোষ করি নাই—তা না, আমিও দোষ করেছি। আমারে মাফ করে দিয়েন, আমার একটা ছোট ছাওয়াল আছে।”
এ সময় স্বপ্না আক্তারও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু যুক্তিতর্কের জন্য দিন নির্ধারণের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। শুনানি শেষে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের কার্যক্রম শেষ হয়।
এর আগে গত ১ জুন আদালত মামলার ১৭ জন সাক্ষীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। পরে গতকাল ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন, যা পরে আদালত আমলে নিয়ে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন।
হাফিজ/ আয়না নিউজ