দলীয় সিদ্ধান্তে বড় পরিবর্তন এনে খুলনা–১ আসনে প্রথমবারের মতো একজন হিন্দু প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াতে ইসলামি। মনোনয়ন পেয়েছেন কৃষ্ণ নন্দী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়ভাবে সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত।
দলীয় সূত্র জানায় এ আসনে আগে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনায় ছিলেন মাওলানা ইউসুফ। তবে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলে প্রার্থী করা হয় কৃষ্ণ নন্দীকে। এতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও ইতিবাচক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নিয়মিত দেখা গেছে কৃষ্ণ নন্দীকে। শুধু উপস্থিতিই নয়—তার নেতৃত্বে হিন্দু নারী-পুরুষের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ চোখে পড়ে।
হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার উপরে মানুষ। মানুষ হিসেবে রাজনীতি করতে চাই, মানুষের উন্নয়ন করতে চাই। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নেই—এমন রাজনীতি করতে চায় জামায়াত, তাই আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে জামায়াতের মতো একটি দল থেকে সংখ্যালঘু প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ায় চার ধর্মের মানুষের মধ্যেই নতুন উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকে মনে করছেন—এটি দলটির নতুন কৌশল হলেও সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষকে গ্রহণ করে রাজনীতি হওয়া উচিত। তাই এই সিদ্ধান্ত রাজনীতিতে অবশ্যই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বটিয়াঘাটা ও দাকোপ নিয়ে গঠিত খুলনা–১ আসনে এর আগেও সংখ্যালঘু প্রার্থীর জয়ের নজির রয়েছে। তবে এখনো এ আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি।