দেশে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিতিশীলতার জন্য অসাধু এক চক্রকে দায়ী করেছেন কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, সিন্ডিকেটের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক ও সাধারণ ভোক্তা।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে কৃষি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অভিযোগ তুলে ধরেন কৃষি উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও একটি চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
কৃষি উপদেষ্টা বলেন, হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পেছনে একটা চক্র আছে। বাজারে পেঁয়াজ আছে, কিন্তু কারসাজি করে দাম বাড়ানো হয়েছে। এই চক্রকে খুঁজে বের করতে হবে।”
তিনি বলেন, পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে রোববার থেকেই সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিদিন ৫০টি করে আমদানি অনুমতি বা আইপি ইস্যু করা হবে, যেখানে প্রতিটি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ থাকবে।
উপদেষ্টা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পেয়াজের দাম ৭০ টাকা হলে সবার জন্য ভালো। দামের বিষয়ে কোনো যোগসাজশ থাকলে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তাদের চাকরি থাকবে না।
এ সময় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলিতে লটারির যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছেপ্রয়োজনে কৃষি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া চালুর ইঙ্গিত দেন উপদেষ্টা।
এছাড়া সবজির বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সবজির দাম এখন সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে এবং দিন যত এগোবে দাম আরও কমতে পারে। তবে কৃষকদের যেন ক্ষতির মুখে না পড়তে হয়, তা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
পেঁয়াজ বাজারের স্থিতিশীলতা এবং অসাধু চক্র শনাক্তে সরকারের নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।