ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, তরুণদের দায়িত্ব হলো প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়া এবং সবার জন্য নিরাপদ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, আজকে দিল্লির তাবেদাররা ও পতিত ফ্যাসিস্টরা নানা ষড়যন্ত্র করছে, বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। তাই আমাদের মা-বোন, চাচাদের নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখা আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, সব নাগরিক যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ইনসাফের প্রতিনিধিরা দাঁড়িপাল্লার কান্ডারিরা এই অঞ্চলের মাটি ও মানুষের নেতা মুহাদ্দিস রবিউল বাসার ভাইকে ব্যাপক ভোটে নির্বাচিত করে ডা. শফিকুর রহমানকে উপহার দেব।
তিনি দাবি করেন, জুলাই বিপ্লবের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ আলী রায়হানসহ ‘গাজীরা’। গত ১৬ বছরে কালিগঞ্জে জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ত্যাগের বিনিময়েই একটি নতুন বাংলাদেশ পাওয়া সম্ভব হয়েছে।
আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফ ও মানবিকতার বাংলাদেশ এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সাদিক কায়েম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি কোনো দলের বা পরিবারের বিজয় নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চান।
জনসভা থেকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সাতক্ষীরার চারটি আসনে জামায়াত প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানানো হয়।
কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী, সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য স. ম. সালাউদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।