যে রাজনৈতিক দলের হাতে নিজেদের নেতা-কর্মীরাই নিরাপদ নয়, সেই দলের হাতে দেশ কীভাবে নিরাপদ থাকবে—এমন প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ সরকারি কলেজ সংলগ্ন মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, গত দেড় বছরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে প্রায় ২০০ জন নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা দেখেছি। নিজেদের লোকই যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে সাধারণ জনগণ কীভাবে নিরাপদ থাকবে এই প্রশ্ন আজ দেশের মানুষের।
তিনি আরও বলেন, জোট সরকারের সময় বাংলাদেশ যখন দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তখন জামায়াতে ইসলামীর শহীদ নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। অথচ তাদের বিরুদ্ধে এক পয়সার দুর্নীতিও কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
সাদিক কায়েম বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে মন্ত্রী-নেতাদের বিরুদ্ধে এক পয়সার দুর্নীতির অভিযোগও কেউ তুলতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, দুর্দিনে যারা আপনাদের ছেড়ে মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল, তারা ১৭ বছর পর ফিরে এসে এখন চটকদার কথা ও নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে চটকদার কথায় বিশ্বাস করবেন, নাকি আদর্শবান নেতৃত্বকে নির্বাচিত করবেন।
জনসভায় আরও বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কর্নেল (অব.) প্রফেসর ডা. জেহাদ খান, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা সভাপতি খাইরুল কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, জেলা ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক মুজাহিদ বিল্লাহসহ স্থায়ী ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।