ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার তাগিদে রাজধানী ঢাকামুখী মানুষের চাপ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। তবে এখনো বড় ধরনের যানজট বা চরম ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোববার (৩১ মে) দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রেন ও ব্যক্তিগত যানবাহনে ঢাকায় ফেরা যাত্রীর সংখ্যা বাড়লেও রাজধানীর প্রবেশমুখগুলো—যাত্রাবাড়ী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ এলাকায় ছিল তুলনামূলক স্বাভাবিক চলাচল। গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও বড় ধরনের চাপ দেখা যায়নি।
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মোট ৬৬টি আন্তঃনগর, লোকাল ও কমিউটার ট্রেন ঢাকায় পৌঁছে। এসব ট্রেনের যাত্রীদের বড় অংশ ছিল কর্মস্থলে ফেরা মানুষ। তবে উত্তরাঞ্চল থেকে আসা কয়েকটি ট্রেন, যেমন রংপুর এক্সপ্রেস, নীলসাগর এক্সপ্রেস, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছায়।
কমলাপুর রেলস্টেশন-এ ভোর থেকেই যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়। তবে অনেকেই পরিবার ছাড়া একা ঢাকায় ফিরেছেন বলে ভিড় তুলনামূলক কম ছিল বলে জানান যাত্রীরা। কেউ কেউ জানান, ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার বাধ্যবাধকতায় তারা সময়মতো ঢাকায় ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।
সিলেট থেকে আসা এক যাত্রী জানান, ট্রেনে তেমন ভিড় বা বিশৃঙ্খলা ছিল না এবং যাত্রা মোটামুটি স্বস্তিদায়ক হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরাঞ্চল থেকে আসা কয়েকজন যাত্রী ট্রেন বিলম্বের কারণে কিছুটা অসুবিধার কথা জানান।
রেলওয়ে ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনো সব কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফেরেননি। বিশেষ করে পোশাক শ্রমিক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের একটি বড় অংশ আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে ফিরবেন। এতে রাজধানীতে চাপ আরও বাড়তে পারে।
হাফিজ/ আয়না নিউজ