আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ‘বৃহত্তর চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সেল’-এর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামে বিশেষ অভিযান চলছে। এ অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০০টিরও বেশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভোটারদের ভোটকেন্দ্রমুখী হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ভোটাররা ভোট দিতে আগ্রহী হয়ে কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন। অতীতে যেসব নেতিবাচক অভিজ্ঞতা ছিল, সামনে তার পুনরাবৃত্তি হবে না ইনশাআল্লাহ।
এর আগে মতবিনিময় সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, পরিচালিত প্রতিটি অপারেশনের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। যাতে কোনো গোষ্ঠী বা দল অপকর্ম করে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ না পায় এবং অপরাধীরা বুঝতে পারে যে অপরাধ করলে অবশ্যই ধরা পড়তে হবে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের বসবাস রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এ বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, বৃহত্তর চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনা করা হয়েছে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় যেসব নিরাপত্তা-সংবেদনশীল বিষয় রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে না ঘটে, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।