দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল এখন উৎসবমুখর পরিবেশে মুখর, বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএসের বহুল প্রতীক্ষিত কামব্যাক অনুষ্ঠানকে ঘিরে। ভক্তদের উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজিরবিহীন প্রস্তুতি নিয়েছে দেশটির সরকার।
শনিবার (২১ মার্চ) স্থানীয় সময় রাত ৮টায় শুরু হবে “বিটিএস দ্য কামব্যাক লাইভ আরিরাং। এই অনুষ্ঠানটি একই সময়ে জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে, ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকরাও এতে অংশ নিতে পারবেন।
ঐতিহাসিক গ্যাংওয়ামুন এলাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই কনসার্টে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার দর্শকের সমাগম ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এত বড় জনসমাগমকে কেন্দ্র করে সরকার সন্ত্রাসবিরোধী সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়েছে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, জংনোগু এবং জংগু এলাকায় চার স্তরের সন্ত্রাসবিরোধী সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যা কয়েকদিন ধরে কার্যকর থাকবে।
নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে কনসার্ট ভেন্যু ও আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, বড় ধরনের জনসমাগমে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বিটিএস-এর এই কামব্যাক উপলক্ষে শুধু কনসার্টই নয়, শহরজুড়ে নানা আয়োজনও করা হয়েছে। ফ্যানদের জন্য বিশেষ ইভেন্ট, বর্ণিল আলোকসজ্জা এবং লাইভ সম্প্রচারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যা এটিকে এক বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত করেছে।
সব মিলিয়ে, বিটিএস-এর এই প্রত্যাবর্তন সংগীত জগতের এক বড় ঘটনা হলেও, উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সতর্ক অবস্থানও সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।