ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক এবং গণঅভিযান নেতা শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখকে রোববার (২২ মার্চ ২০২৬), কোলকাতার বিধাননগর আদালতে তোলা হয়েছে। ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাদের আদালতে হাজির করা হয়েছে।
এর আগে এই দুই অভিযুক্তকে তাদের শারীরিক পরীক্ষা করানোর জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। আদালতে নেওয়ার আগে ফয়সাল করিম মাসুদ সাংবাদিকদের সামনে বলেন, আমি এই কাজ করিনি এবং আমি এ ধরনের কাজে ছিলাম না। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। আলমগীর শেখ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
ফয়সাল ও আলমগীরকে ৭ মার্চ রাতে বাংলাদেশ সীমান্তের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। এরপর ৮ মার্চ তাদেরকে স্থানীয় আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে বাংলাদেশের নাগরিক ফিলিপ সাংমা-কেও ২১ মার্চ কলকাতার আদালত ১৪ দিনের জেল হেফাজত দিয়েছেন, যাতে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে ক্রস‑জেরা করা হবে।
গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ঢাকার পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে জুমার নামাজের পর জনসম্মুখে মোটরসাইকেলে উপস্থিত দু’জন গুলিবিদ্ধ করে গুরুতর আহত হন হাদি। তিনি এরপর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ‑এর নাম উল্লেখ হয়েছে।
আরও শুনানি ও রায়ে বাকি অভিযুক্তদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।