উত্তরের সর্বশেষ জেলা হিমালয়ের পাদদেশ নীলফামারীতে ক্রমেই বাড়ছে শীতের প্রভাব। বইছে হিমেল হাওয়া, কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। ফসলি জমি গাছের ডগায় জমছে শিশির বিন্দু। সকাল ও সন্ধ্যার পর থেকেই বাড়ছে শীতের অনুভূতি। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বারছে শীতবাহিত রোগ ।
ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে জেলা,গাড়িতে হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহনকে চলাচল করতে দেখা গেছে। তাপমাত্রা কমার কারণে বাড়ছে শীত জনিত রোগ, সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে বৃদ্ধ ও শিশুরা।
ইপিজেড কর্মী সপ্না আক্তার বলেন ভোর ৬ টার সময় বাসা থেকে বের হতে হয় আমাদের, সে সময় ঘন কুয়াশার কারনে গ্রামের রাস্তা-ঘাট কিছু দেখা যায় না। ঠান্ডা বাতাস আর কুয়াশার কারণে আমরা সর্দি জ্বর ও কাশিতে ভুগছি।
ইটাখোলা ইউনিয়নের কানিয়াল খাতা গ্রামের কৃষক মহুবার রহমান বলেন, ভোরবেলা ও সন্ধ্যার পরে ঘন কুয়াশা ও বাতাসের কারণে ঠান্ডা লাগে। সকাল বেলা জমিতে হাত দেয়া যায় না মাটি বরফের মত ঠান্ডা থাকে। কখন ও বৃষ্টির মত ফোটা ফোটা পানি পড়ে কুয়াশার।
এলাকাবাসী জানান, সকালে হাঁটতে বের হলে শীত লাগে গত দুদিন আগে নীলফামারীর তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রিতে নেমে এসেছিল। আমরা নীলফামারী জেলার মানুষ উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা থাকায় একটু আগেই শীত অনুভব করি।
নীলফামারীর ডিমলা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আমজাদ হোসেন বুলবুল জানান, এখন কুয়াশা পড়ছে সামনে কুয়াশা আর ঠান্ডা আরো তিব্রতর হবে। ২৯ নভেম্বর সকাল ৬ টায় ডিমলা উপজেলায় ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করি আমরা।
নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো: আব্দুর রাজ্জাক জানান,শীত জনিত কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা প্রথম আক্রান্তের শিকার হন। নিমুনিয়া ও ডায়রিয়া রোগী আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।