| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বাড়ছে শীতের দাপট, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

  • আপডেট টাইম: 06-12-2025 ইং
  • 160335 বার পঠিত
বাড়ছে শীতের দাপট, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে শীতের দাপট শুরু হয়েছে। ঠান্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে  নিম্ন আয়ের মানুষেরা পড়েছেন বিপাকে। গরম কাপড়ের অভাবে কৃষক, দিনমজুর রিক্সা- ভ্যানচালক ও হকাররা ভোর ও সন্ধ্যায় শীতের তিব্রতা সহ্য করতে পারছেনা। হাসপাতাল গুলোতে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত  রোগীর সংখ্যা।

দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানচালক ও পথবিক্রেতারা ভোর-সন্ধ্যা শীতের তীব্রতা সহ্য করতে পারছেন না, হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা।

নীলফামারী জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। 

নীলফামারী শহরের কুখা পাড়া এলাকার কৃষক মো: মোতাহার হোসেন জানান,  শীত অনেক আগেই শুরু হইছে, শীতের জন্য গরম কাপড় এখনো নিতে পারি নাই লেদ কম্বল কিনতে অনেক টাকা লাগে। 

একই এলাকার ইপিজেড কর্মী মৌসুমী আক্তার জানান, সরকার যদি একটু আগেই কম্বল দিত গরিব মানুষের উপকার হত এত কষ্ট পেত না।

ইটা খোলা ইউনিয়নের মো: মোসাব্বিরুল হক জানিয়েছেন, প্রতিবছর অন্তরের জেলা নীলফামারীতে শীতের প্রভাব বেশি হলেও শীতবস্ত্র বিতরণ দেরিতে হয়। 

নীলফামারীর ডিমলা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আমজাদ হোসেন বুলবুল জানান  কুয়াশা আর ঠান্ডা আরো তিব্রতর হবে। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই অঞ্চলে শীতের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি থাকে।হিমালয় পর্বতমালা খুব কাছে থাকায়  ইতোমধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ । কৃষক দিনমজুর রিকশা ও ভ্যানচালক এবং পথ বিক্রেতারা ভোরে কাজে বের হচ্ছেন আবার সন্ধ্যায় ঘরে ফিরছেন ঠান্ডা সহ্য করে। পর্যাপ্ত গরম কাপড়ের অভাবে অনেকেই কষ্টে দিন পার করছেন। 

নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জন ডা:মো: আব্দুর রাজ্জাক জানান, ঠান্ডা জনিত কারণে প্রথম আক্রান্তের  শিকার হন শিশু ও বৃদ্ধরা।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪