বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের সময় দুটি ফিশিং ট্রলারের সংঘর্ষে এক জেলে নিহত হয়েছেন এবং আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় ১৩ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিখোঁজ এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে অপর এক জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নিহত জেলের নাম আক্তার আলম বাদশা (৫৫)। তিনি কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং নয়াকাটা গ্রামের বাসিন্দা। নিখোঁজ জেলের নাম জিয়াবুল মোহাম্মদ হোসেন।
স্থানীয় সূত্র ও ট্রলার মালিকের বরাতে জানা গেছে, গত শুক্রবার কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুং নয়াকাটা গ্রামের বাসিন্দা নাসির উদ্দিনের মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলার এফবি নুরুন নাহার-১ নিয়ে ১৫ জন জেলে সাগরে মাছ ধরতে যান। রোববার দুপুরের আগে মাছ ধরার জাল তোলার সময় দ্রুতগতিতে আসা এফবি হার্টি নামের আরেকটি ফিশিং ট্রলার নুরুন নাহার-১–কে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলারটি ডুবে যায় এবং জেলেরা সাগরে ছিটকে পড়েন।
এ সময় আক্তার আলম বাদশা ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং জিয়াবুল মোহাম্মদ হোসেন নিখোঁজ হন। আশপাশের অন্যান্য ট্রলারের সহায়তায় বাকি ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়।
নিহত ও উদ্ধার হওয়া জেলেরা সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপকূলে পৌঁছান। পরে আহত জেলেদের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুল হক জানান, ফিশিং ট্রলারের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।