ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মতো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মতো হাইভোল্টেজ টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের খাদ্যাভ্যাস এবং ফিটনেস গুরুত্বপূর্ণ। যেখানে গ্রাম মেপে খেলোয়াড়দের খাবার পরিবেশন করা হয়, সেখানে একটি আশ্চর্যজনক তথ্য বেরিয়ে এসেছে চেন্নাই সুপার কিংসের অন্দরমহল থেকে। ‘স্টিক টু ক্রিকেট’ পডকাস্টে কথা বলার সময় ইংল্যান্ডের ব্যাটার স্যাম বিলিংস জানিয়েছেন যে, মহেন্দ্র সিং ধোনি তার হোটেলের স্যুটে ‘খলিল’ নামে একজন নিবেদিতপ্রাণ ‘হুক্কাওয়ালা’-কে রাখেন। যার একটিমাত্র কাজ কিংবদন্তি অধিনায়কের হুক্কাটি নিখুঁতভাবে প্রস্তুত রাখা।
তবে ধোনির কাছে হুক্কা কেবল একটি ব্যক্তিগত আনন্দ বা বিলাসিতা নয়, এটি দল গঠনের একটি কৌশলগত হাতিয়ার। বিলিংস ও প্রাক্তন সতীর্থ মাইকেল হ্যাসি যেমন উল্লেখ করেছেন,তারকাখ্যাতির জন্য ধোনির হোটেলের বার বা স্থানীয় ক্যাফেতে যাওয়া অসম্ভব, তাই তিনি তার সামাজিক আড্ডার কেন্দ্রস্থল বানিয়ে ফেলেছেন হোটেল স্যুটকে ।
টিভিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যাচ এবং এক কোণায় হুক্কা তরুণ ও স্নায়ুচাপে থাকা নতুন খেলোয়াড়রা একই খাটে বসে গল্পগুজব। এই শিথিল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে ধোনি পারিবারিক আবহে দলকে দেখিয়েছে সাফল্য। আর একে অনেকে ধোনির‘হুক্কা কূটনীতি’ হিসেবে দেখছেন।
লেব্রন জেমস থেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো বৈশ্বিক সুপারস্টারদের মধ্যে সাধারণ যারা, তারা নিজেদের ফিটনেস ধরে রাখতে এবং অবসরের পরবর্তী জীবন নিয়ে ভাবতে পুষ্টিবিদ আর ট্রেইনারের তত্ত্বাবধানে থাকেন, সেখানে ধোনির আছেন একজন ‘শীশা ম্যান’।
২০২৬ আইপিএল মৌসুমে এই অদ্ভুত অভ্যাসগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ধোনি একজন ‘সুপারস্টার’ হলেও তার সাফল্য নেতৃত্ব অত্যন্ত মানবিক ও বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ধারিত।