২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পর্যায়ে অসামান্য পারফরম্যান্স প্রদর্শনকারী প্রায় ৩০০ ক্রীড়াবিদকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাত থেকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হবে। ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র জানায়, এই খেলোয়াড়দের মধ্যে ১৮টি ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। তারা বছরের বিভিন্ন সময়ে দক্ষতা, পরিশ্রম ও প্রতিভার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের মধ্যে ফুটবল, ব্রিজ, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, ভারোত্তোলন, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উশু, আরচারি, ব্যাডমিন্টন, জিমন্যাস্টিক্স, ক্যারম, যোগ, প্যারালিম্পিক, সেপাক টাকরো, বক্সিং ও কারাতের খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত।
সূত্র আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার প্রদানের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রক্রিয়া তৈরি করা হয়েছে। প্রশাসন নিশ্চিত করতে চাইছে যে যোগ্য খেলোয়াড়রা যথাযথভাবে চিহ্নিত হন।
ফেডারেশনগুলোও এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। খেলোয়াড়দের নাম, অর্জন ও প্রতিযোগিতার তথ্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রেরণ করা হচ্ছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত টুর্নামেন্ট না হলেও খেলোয়াড়দের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
সফল খেলোয়াড়রা দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। দলীয় খেলা যেমন ফুটবল ও কাবাডিতে দলগত সাফল্য, অ্যাথলেটিক্স ও সাঁতারে ব্যক্তিগত দক্ষতার পরিচয় প্রদর্শিত হয়েছে। পাশাপাশি ভলিবল, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন, জিমন্যাস্টিক্স, আরচারি ও কারাতে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। প্যারালিম্পিক খেলোয়াড়রা বিশেষ প্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।
ভারোত্তোলন, বক্সিং, উশু ও সেপাক টাকরোতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন বাংলাদেশের ক্রীড়া সম্প্রদায়ের জন্য গর্বের বিষয়। নতুন প্রজন্মের উদীয়মান প্রতিভা যোগ ও ক্যারমে দৃশ্যমান, যা দেশের ক্রীড়া বিকাশে সহায়তার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করছে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ক্রীড়াবিদদের স্বীকৃতির পাশাপাশি দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যতের প্রতিভা আবিষ্কারের প্রতি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করছে। প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কার গ্রহণের সময় খেলোয়াড়রা দেশের নাম উজ্জ্বল করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবেন।