ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ বৈঠক আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, আজকের কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আজকের কার্যসূচিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১) এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিশসমূহ নিষ্পত্তি করা হবে। এ পর্বে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়গুলো হলো—সুন্দরবনে জলদস্যুদের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ, মানিকগঞ্জ-১ আসনের দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলাকে নদীভাঙন থেকে রক্ষা এবং নেত্রকোণা-বিরিশিরি মহাসড়কের ডেউটুকোন ঘাটে কংশ নদীর ওপর সেতু নির্মাণ।
এছাড়া বৈঠকে জন প্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আন্দুল বারী সংবিধানের ১৪১(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন’ সংসদে উপস্থাপন করবেন।
এর আগে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবে বিশেষভাবে বুধবারকে নির্ধারণের কথা বলা হয়, যাতে সংসদের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হয়। এ বিষয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটি পরবর্তী বিবেচনার জন্য রেফার করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এই উদ্যোগকে সংসদের সরকারি ও বিরোধীদলীয় সদস্যরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এর ফলে সংসদের কার্যক্রমে প্রাণচাঞ্চল্য বাড়বে এবং জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহিতা আরও নিশ্চিত হবে।