আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরি অনুর্ধ্ব ১৫, অনুর্ধ্ব ১৭ ও অনুর্ধ্ব ২৩ এ এখন পর্যন্ত মোট ৫টি স্বর্ণপদক জিতে বাংলাদেশের ব্যাডমিন্টন দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২০২২ সালে কোচ শিব্বির আহমেদের হাত ধরে এশিয়া সাউথ এশিয়ান রিজিওনাল ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জয়ের সূচনা হয়। সে বছর ভারতের গৌহাটিতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৫ ডাবলসে মোস্তাকিম ও সিফাত উল্লাহ গালিব ভারতের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দেশের হয়ে প্রথমবার স্বর্ণপদক জেতেন। সেটিই ছিল জুনিয়র পর্যায়ে বাংলাদেশের সাফল্যের সূচনা।
কোচ অহিদুজ্জামান রাজুর শিষ্যরা অনূর্ধ্ব-১৭ এবং অনূর্ধ্ব-১৫ দুটি ক্যাটাগরিতে ২০২৩ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত একই টুর্নামেন্টে দারুণ সাফল্যে একটি স্বর্ণপদক জিতে নেয় বাংলাদেশ।
কাঠমান্ডুতে অনূর্ধ্ব-১৭ বালক একক ফাইনালে বাংলাদেশের সিফাত উল্লাহ গালিব শ্রীলঙ্কার থিদাসা ওয়েরাঙ্গোদাকে এবং বালক দ্বৈতে গালিব ও রাজন জুটি নেপালের কবির কেসি ও অভয় মাহারা জুটিকে পরাজিত করে স্বর্ণপদক অর্জন করেন। এছাড়া অনূর্ধ্ব-১৫ বালক এককে ওয়ালি উল্লাহ স্বদেশি মোস্তাকিম হোসেনকে হারিয়ে স্বর্ণপদক লাভ করেন।ওই আসরে বাংলাদেশ ইতিহাসের সর্বোচ্চ সাফল্যে ৩টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জপদক পায়।
২০২৬ সালে, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কোচ মোস্তফা জাভেদের নেতৃত্বে অনূর্ধ্ব-২৩ ক্যাটাগরিতে প্রথম এবং দেশের বাইরে তৃতীয়বারের মতো স্বর্ণপদক জিতেছে বাংলাদেশ। সিফাত উল্লাহ গালিব ও নাজমুল হাসান জয় জুটি নেপালের প্রিন্স দাহাল ও ক্রিস্তিজ কাহাল জুটিকে পরাজিত করে এ গৌরব অর্জন করেন।
এফ এ / আয়না টিভি