সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশি নাগরিকত্ব থাকুক বা না থাকুক, তিনি রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত ছিলেন এবং উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন তিনি। এমনটাই মন্তব্য করেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞে সহায়তা এবং মরদেহ ও আলামত গুমের মামলায় শুনানি শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশে কখনও আসে নাই বিষয়টা তা না, তিনি রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত ছিলেন, উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি আইসিটির এডভাইজার ছিলেন এবং আইসিটি মন্ত্রাণালয় বাংলাদেশের গণহত্যাকে আড়াল করার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করে সারা বাংলাদেশে গণহত্যাকে যেভাবে ফ্যসিলিটেট করেছিল, গোটা দুনিয়ার কাছ থেকে এই গণহত্যার তথ্য লুকানোর চেষ্টা যে করেছিল সেটার মাস্টারমাইন্ড কিন্তু জয়। সেটা বাংলাদেশে থেকে বাস্তবায়ন করেছিল জুনাইদ আহমেদ পলক।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, জয়ের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী হবে এবং তার বিরুদ্ধে অকাট্য প্রমাণ রয়েছে।
ওই দিন ট্রাইব্যুনালে জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় হাজির করা হয় আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানকে। তাদের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্য থেকে দুজন আইনজীবী আনার আবেদন করা হয়েছে। মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১৭ ডিসেম্বর।
এছাড়াও, ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞে সহায়তা এবং মরদেহ ও আলামত গুমের মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে হাজির করা হয়। উপস্থিত না থাকায় সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাজির করতে পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার মামলায় আরও দুইজন সাক্ষী দেন। এখন পর্যন্ত এই মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।
এদিকে আরেক মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।