| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ অনুমোদন

  • আপডেট টাইম: 15-01-2026 ইং
  • 130431 বার পঠিত
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ অনুমোদন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলিতে অংশগ্রহণকারীদের ফৌজদারি দায় থেকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। 

উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, রাজনৈতিক প্রতিরোধ বলতে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ডকে বোঝানো হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট কোনো ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের অব্যাহতি দেওয়া হবে।

আইন উপদেষ্টা আরও জানান, এ সংক্রান্ত কোনো ফৌজদারি মামলা যদি ইতোমধ্যে হয়ে থাকে, সরকার সেগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে। পাশাপাশি, জুলাই ও আগস্ট মাসে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে করা কর্মকাণ্ডের জন্য নতুন করে আর কোনো মামলা করা যাবে না। এ সময়ে করা সব মামলাই প্রত্যাহার করা হবে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিরোধের নামে ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে সংঘটিত কোনো হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে দায়মুক্তি প্রযোজ্য হবে না। ব্যক্তিগত স্বার্থ, প্রতিশোধস্পৃহা বা লোভের বশবর্তী হয়ে কেউ হত্যাকাণ্ড ঘটালে তাকে এই আইনের আওতায় রেহাই দেওয়ার সুযোগ নেই। আইনটি কেবল ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত কার্যাবলি এবং সেই প্রক্রিয়ায় সম্মিলিতভাবে যুক্ত ব্যক্তিদের দায়মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইন উপদেষ্টা জানান, কোন হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ এবং কোনটি ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত—তা নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে। কোনো ভুক্তভোগীর পরিবার যদি মনে করে যে তাদের স্বজন ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং এর সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের কোনো সম্পর্ক নেই, তবে তারা মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। কমিশন বিষয়টি ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত বলে মনে করলে তদন্ত করবে এবং তদন্ত প্রতিবেদন দেবে। আদালতে সেই প্রতিবেদন পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের মতোই বিবেচিত হবে।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪