| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

  • আপডেট টাইম: 17-12-2025 ইং
  • 145925 বার পঠিত
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ফিলিস্তিনি পাসপোর্টধারী ও সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আগামী ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, জাতীয় ও জননিরাপত্তাজনিত হুমকি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, স্ক্রিনিং, যাচাই-বাছাই এবং তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে স্থায়ী ও গুরুতর ঘাটতির কারণে এসব দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া দেশগুলো হলো, বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান, সিয়েরা লিওন, লাওস এবং সিরিয়া। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি পাসপোর্টধারীরাও এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ১৯টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসনসংক্রান্ত সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। ওই তালিকায় ছিল আফগানিস্তান, মিয়ানমার, ইরান, সোমালিয়া, ইয়েমেনসহ একাধিক দেশ।

পরবর্তীতে গত ৪ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, নিষেধাজ্ঞার আওতায় দেশের সংখ্যা অন্তত ৩২টিতে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে অতিরিক্ত ১৩টি দেশের নাম তখন প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্রসৈকতে বন্দুক হামলায় ১৫ জন ইহুদি নিহত হওয়ার ঘটনার পর ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল না।

তবে সিরিয়ার নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। কারণ অল্প কিছুদিন আগেই সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ শারা হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করে যান। ওই সফরের আগে শারার বিরুদ্ধে থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

তবে সম্প্রতি সিরিয়ায় আইএসের হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও তাদের একজন দোভাষী নিহত হওয়ার ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ ঘটনার পর ট্রাম্প নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে হামলাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন এবং কঠোর প্রতিক্রিয়ার ঘোষণা দেন।

হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসলেও সিরিয়ায় এখনো কার্যকর কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অভাব রয়েছে। ফলে দেশটির পাসপোর্ট ও নাগরিক নথিপত্র প্রদানে যথাযথ স্ক্রিনিং ও যাচাই-বাছাই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪