ভেনেজুয়েলার সরকার পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে সামরিক অভিযান চালানো এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।
শনিবার ( ৪ জানুয়ারি ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মামদানি দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে মার্কিন সেনাবাহিনী আটক করেছে এবং তাদের নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল হেফাজতে রাখা হবে। মেয়রের ভাষায়, “একতরফাভাবে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর হামলা করা যুদ্ধের শামিল এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ও আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।”
মামদানি আরও জানান, মাদুরোকে আটকের পর তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং এই অভিযানের বিরোধিতা করেন। তবে এ বিষয়ে ট্রাম্প কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তা জানা যায়নি।
নিজের পোস্টে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র বলেন, সরকার পরিবর্তনের এ ধরনের প্রচেষ্টা শুধু বিদেশি রাষ্ট্রকেই প্রভাবিত করে না, বরং এর সরাসরি প্রভাব পড়ে নিউইয়র্ক সিটির বাসিন্দাদের ওপর। তিনি উল্লেখ করেন, লক্ষাধিক ভেনেজুয়েলান নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাস করেন এবং এই শহরকে নিজেদের বাড়ি হিসেবে বিবেচনা করেন।
মামদানি বলেন, আমার প্রধান দায়িত্ব হলো নিউইয়র্কের প্রতিটি বাসিন্দার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমার নেতৃত্বাধীন প্রশাসন সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।
এদিকে কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শনিবার গভীর রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে মার্কিন বিমান বাহিনী এবং পরে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নাকি জানিয়েছেন, চার দিন আগে তিনি এই অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিলেন।