পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ৩ মার্চ থেকে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। একই সঙ্গে ঈদের ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মার্চ থেকে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রেলওয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৮ জোড়া বিশেষ ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত
ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে বিভিন্ন রুটে ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ ট্রেনগুলো হলো—
চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (১ ও ২): চট্টগ্রাম–চাঁদপুর–চট্টগ্রাম, তিস্তা স্পেশাল (৩ ও ৪): ঢাকা–দেওয়ানগঞ্জ–ঢাকা, শোলাকীয়া ঈদ স্পেশাল (৫ ও ৬): ভৈরববাজার–কিশোরগঞ্জ–ভৈরববাজার, শোলাকীয়া ঈদ স্পেশাল (৭ ও ৮): ময়মনসিংহ–কিশোরগঞ্জ–ময়মনসিংহ, পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল (৯ ও ১০): জয়দেবপুর–পার্বতীপুর–জয়দেবপুর
টিকিট বিক্রির সময়সূচি
৩ মার্চ থেকে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। টিকিট প্রাপ্তি সহজ করতে—
পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে
পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে ইস্যু করা হবে।
টিকিট ক্রয়ের বিশেষ শর্ত
১. অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার সব টিকিট শতভাগ অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
২. একজন যাত্রী অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রায় সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন; প্রতিবার সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
৩. ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার টিকিট রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য নয়।
৪. যাত্রার দিন স্টেশন কাউন্টার থেকে (উচ্চ শ্রেণী ব্যতীত) মোট আসনের ২৫ শতাংশ সমপরিমাণ স্ট্যান্ডিং টিকিট দেওয়া হবে।
ফিরতি টিকিট বিক্রি
১৩ মার্চ বিক্রি হবে ২৩ মার্চের যাত্রার টিকিট। পর্যায়ক্রমে ১৯ মার্চ পর্যন্ত টিকিট বিক্রি চলবে, যা ২৯ মার্চের যাত্রার জন্য প্রযোজ্য।
অতিরিক্ত ব্যবস্থা
ঈদযাত্রার বাড়তি চাপ সামাল দিতে ১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি (অফ-ডে) বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়তলী ওয়ার্কশপ থেকে ৪৭টি অতিরিক্ত মিটারগেজ (এমজি) কোচ যাত্রীবাহী সার্ভিসে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আসন্ন ঈদে নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।