চলতি বছরের সাদাকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ বছর জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার ( ২৫ ফেব্রুয়ারি ) সকালে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী শরীয়াহ মতে আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির—এই পাঁচটি পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যাবে।
গম বা আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ (১ কেজি ৬৫০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা প্রদান করতে হবে।
যব দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা।
খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৪৭৫ টাকা।
কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৬৪০ টাকা।
পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৮০৫ টাকা প্রদান করতে হবে।
দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এ হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মুসলমানগণ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লেখিত পণ্যসমূহের যেকোনো একটি বা তার বাজারমূল্যের সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজারমূল্যের তারতম্য থাকায়, স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।