| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জ্ঞানীগুণীরাই রাষ্ট্র ও সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম: 26-02-2026 ইং
  • 82701 বার পঠিত
জ্ঞানীগুণীরাই রাষ্ট্র ও সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের হলেও সমাজ ও রাষ্ট্রকে নৈতিকতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন জ্ঞানী-গুণী মানুষ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই জ্ঞানী ব্যক্তিরা নীতি-নৈতিকতার আলোকে সমাজকে সঠিক দিশা দেখাতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।

তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন, কিন্তু জ্ঞানী-গুণী মানুষের পরামর্শ ও দিকনির্দেশ সমাজের নৈতিক মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই রাষ্ট্র ও সমাজে কৃতি মানুষদের সংখ্যা যত বেশি বাড়বে, সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতার মানদণ্ডে সেই সমাজ তত বেশি আলোকিত থাকবে। 

বৃহস্পতিবার ( ২৬ ফেব্রুয়ারি ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এসব মন্তব্য আসে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আগে সচিবালয়ে একটি বৈঠক শেষে তিনি পায়ে হেঁটে অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং পরে পুনরায় সচিবালয়ে ফেরেন। পদক হস্তান্তর অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথমবারের মতো ১৯৭৬ সালে একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদক নয়, বরং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী থেকে শুরু করে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন পর্যন্ত দেশের শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা ও চর্চায় বিশেষ অবদান রাখাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচয় করিয়ে দেয়।

তিনি আরও বলেন, শুরুতে তিনটি ক্ষেত্রে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে এই পদকের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অন্তত ১২টি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে আরও বিকশিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং বলেন, রাষ্ট্র ও সরকার এ ক্ষেত্রে সবসময় সমর্থন প্রদান করবে।

শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যকে রাজনীতিকরণ করা কখনো সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশকে নৈতিক মানসম্পন্ন ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং এই যাত্রায় বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা প্রত্যাশিত।

ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, “একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক এবং সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ। এটি মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং অন্যদিকে জালেমদের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।”

প্রধানমন্ত্রী এই বছরও দেশের জ্ঞানী ও গুণী কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীদের একুশে পদকে ভূষিত করার ঘোষণা দেন এবং তাদের দীর্ঘ সৃজনমুখর জীবন ও কল্যাণময় ভবিষ্যৎ কামনা করেন।


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪