| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

একুশে বইমেলায় দ্বিতীয় দিনে পাঠকখরা

  • আপডেট টাইম: 27-02-2026 ইং
  • 79638 বার পঠিত
একুশে বইমেলায় দ্বিতীয় দিনে পাঠকখরা

রমজানের শুরু হওয়া অমর একুশে বইমেলার দ্বিতীয় দিনেও দেখা মেলেনি কাঙ্ক্ষিত পাঠক সমাগমের। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মেলা প্রাঙ্গণ ছিল অনেকটাই ক্রেতাশূন্য। এখনো বইয়ের স্টলে শোনা যায় হাতুড়ি-করাতের শব্দ। নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় অনেক প্রকাশনী এখনো প্রদর্শনীই শুরু করতে পারেনি, যার ফলে মেলার পূর্ণ আবহ পেতে পাঠকদের আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের পাশের গেটে দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু পুলিশ সদস্য ছাড়া তেমন কাউকে ্মেলায় প্রবেশ করতে দেখা যায়নি।  টিএসসির পাশের গেট দিয়ে কিছু দর্শনার্থী প্রবেশ করলেও মেলার ভেতরে আনসার সদস্যরা পার করছে অলস সময়। 

মেলায় প্রবেশ করতেই নির্মাণকর্মীদের স্টল তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। বইমেলা শুরু হলেও এখনো স্টলগুলোর কাজ শেষ করতে না পারায় পারেননি তারা। কেউ করাত দিয়ে কাঠ কাটছেন, আবার কেউ সেই কাঠ দিয়ে ফ্রেম তৈরি করছেন। তবে অধিকাংশ স্টলই নির্মাণকাজ শেষ করে বই প্রদর্শনী শুরু করতে পেরেছে। তবে সব মিলিয়ে পুরো বইমেলার নির্মাণকাজ শেষ করতে অন্তত আরও ৫-৭ দিন সময় লেগে যাবে বলে জানিয়েছেন কর্মীরা। 

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে বেশিরভাগ স্টলই ক্রেতাশূন্য। তবে জনপ্রিয় প্রকাশনীগুলোর স্টলের সামনে পাঠক-দর্শনার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। রমজান মাস হওয়ায় অনেকে দিনের বেলা আসতে না পারায় লোকসংখ্যা কম বলে জানায়  প্রকাশনী কর্মীরা।  

‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


এবারের বইমেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্টল পেয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় রয়েছে লিটল ম্যাগাজিন চত্বর; সেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিশুচত্বরে আছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান ও ১০৭টি ইউনিট।

মেলার বিন্যাস গতবারের মতো থাকলেও মেট্রোরেল স্টেশনের অবস্থানগত কারণে বের হওয়ার পথ কিছুটা সরিয়ে মন্দির গেটের কাছে নেওয়া হয়েছে। টিএসসি, দোয়েল চত্বর, এমআরটি বেসিং প্লান্ট ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন অংশে থাকছে মোট চারটি প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ।

বইমেলায় বাংলা একাডেমি ও অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নির্ধারিত কমিশনে বই বিক্রি করছে। বাংলা একাডেমির বই ও পত্রপত্রিকা বিক্রির জন্য মেলার দুই অংশেই স্টল রয়েছে।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মূল মঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতি শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত থাকছে ‘শিশুপ্রহর’। শিশু-কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে। নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের ব্যবস্থাও রয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত (ছুটির দিন ছাড়া) প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। রাত ৮টা ৩০ মিনিটের পর নতুন করে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিনে মেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪