প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় বিমানবন্দরে বিদায় ও দেশে ফেরার সময় অভ্যর্থনা জানাতে মন্ত্রী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের দীর্ঘ লাইনের প্রচলিত রেওয়াজে পরিবর্তন আনছে সরকার। এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার (৪ মার্চ) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরের সময় এবং দেশে প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে নির্ধারিত কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বিদায় ও অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম সদস্য একজন মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এ বিষয়ে পূর্বে জারি করা ২০২৪ সালের ২৮ আগস্টের একটি সার্কুলার বাতিল করে নতুন নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় বিমানবন্দরে অপ্রয়োজনীয় ভিড় কমবে এবং আনুষ্ঠানিকতা সীমিত রাখার মাধ্যমে কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল হবে বলে মনে করা হচ্ছে।