যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে পৌঁছাতে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে ইরানের জন্য “খারাপ পরিণতি” অপেক্ষা করছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর তেহরান কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইরান সংঘাত চায় না; তবে দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং তার দায়ভার বহন করতে হবে ওয়াশিংটনকেই।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তাবাহিনীর অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি করাতে এই চাপ প্রয়োগ করা হতে পারে। নির্ধারিত শর্তে সমঝোতা না হলে হামলা আরও ব্যাপক আকার নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ এই বাকযুদ্ধ ও সামরিক হুঁশিয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।