বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বেইনসাফি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মানুষ হত্যা ও মা-বোনদের ইজ্জত হরণের মাধ্যমে গত ৫৪ বছর ধরে দেশে এক মহাধ্বংসযজ্ঞ চলছে। এই পচা রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নেমেছে।
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সমাজ থেকে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে। তবে এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের ভয়ের কোনো কারণ নেই বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
আগামীর বাংলাদেশ হবে যুবকদের এমন মন্তব্য করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত অতীতমুখী রাজনীতি নয়, বরং যুবকদের স্বপ্নের একটি অগ্রগামী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।
বাংলাদেশে এমন একটি দেশ চাই যেখানে একজন রিকশাচালকও প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে। এমনটাই বললেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, যুব সমাজের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে জামায়াত। তিনি বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসেন, তাদের প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’, দ্বিতীয় ভোট হবে ইনসাফের পক্ষে।
যাদের রাজনীতির কারণে দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো, তাদের সেই রাজনীতিকে লাল কার্ড দেখাতে চাই। এমনটাই বললেন, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, যুবসমাজকে বেকার ভাতা দিয়ে তাদের অপমান করতে চাই না। তাদের দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনার প্রতিবাদে জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩ তারিখ থেকে বাংলাদেশ এক নতুন অভিযাত্রায় এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।তিনি বলেন, দেশের সম্পদ ও সম্মান যাদের হাতে নিরাপদ, আগামী ১২ তারিখে দেশের চাবি তাদের হাতেই উঠবে
আলোচনায় বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প ও বাণিজ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়া এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু উঠে আসে। উভয় পক্ষ এসব বিষয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতো জামায়াত ইসলামীর পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষকে বিভক্ত না করে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে একটি ফরোয়ার্ড-লুকিং বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, পেছনে ফিরে আমরা আর কামড়াকামড়ি করতে চাই না,জাতিকেও আমরা বিভক্ত করতে চাই না। আমরা সবাই মিলেমিশে সামনে এগোতে চাই।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন, হিন্দুদের বলা হয় জামায়াত ক্ষমতায় এলে তারা এ দেশে থাকতে পারবে না। কিন্তু আমি বলতে চাই, জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুরা এ দেশে জামাই আদরে থাকবে।
আমরা বিজয়ী হলেও কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেব না। সবাইকে ক্ষমা করা হবে। তবে যারা কালো টাকার দিকে হাত বাড়াবে, তাদের সেই হাত শক্তভাবে প্রতিহত করা হবে। এমনটাই বললেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
ডা. তাহের বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা প্রকাশ্যে হলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিরব ভূমিকা পালন করছে। এটি জাতির সঙ্গে বৈমান্য।” তিনি আরও বলেন, “নারীদের প্রতি এমন হামলা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে নারী নেতৃত্ব পিছিয়ে যাবে, যা আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “একদিকে ফ্যামিলি কার্ড, অন্যদিকে মা-বোনদের গায়ে হাত চলতে পারে না। জামায়াতের আদর্শিক প্রচারণায় বাধা দেওয়ার এখতিয়ার কারো নেই।” তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হলে কিংবা নারীদের অসম্মান করা হলে জামায়াত তা প্রতিহত করবে।
এ বৈঠকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং সাবেক সচিব ড: খ ম কবিরুল ইসলামসহ চারজন উপস্থিত আছেন।